মূল কনটেন্টে যান

আমাদের প্রকল্প

যে ভবনগুলো আজই আপনাকে ঘুরিয়ে দেখাতে পারি

একটি নির্মাণাধীন ফ্ল্যাগশিপ, একটি হস্তান্তরিত ভবন, একটি অনুমোদনের অপেক্ষায়। তালিকা ছোট রাখাই উদ্দেশ্য — যতটা প্রতিদিন তদারকি করা যায়, ততটাই বানাই।

পোর্টফোলিও

তিনটি ঠিকানা, একটিই মান

জান্নাত হাইটস, রোড ০৯
নির্মাণাধীন

জান্নাত হাইটস, রোড ০৯

সাভার ডিওএইচএস, ঢাকা

আট তলা, দুই মাপের অ্যাপার্টমেন্ট — ১,৩৫০ বর্গফুট টাইপ এ এবং ২,৭০০ বর্গফুট টাইপ বি — আমাদের প্রধান কার্যালয়ের একই গেটেড রাস্তায়।

  • ৮ তলা
  • টাইপ এ ১,৩৫০ বর্গফুট
  • টাইপ বি ২,৭০০ বর্গফুট
  • হস্তান্তর ২০২৭
জান্নাত রেসিডেন্স, বাজার রোড
হস্তান্তরিত

জান্নাত রেসিডেন্স, বাজার রোড

সাভার, ঢাকা

ছয় তলার পারিবারিক ভবন, সময়মতো হস্তান্তর করা — এখন পুরোপুরি বসবাসরত, সক্রিয় বাসিন্দা কমিটিসহ।

  • ৬ তলা
  • ১৮টি পরিবার
  • সময়মতো হস্তান্তর
  • আমাদের ব্যবস্থাপনায়
জান্নাত গার্ডেন কোর্ট
অনুমোদনের অপেক্ষায়

জান্নাত গার্ডেন কোর্ট

সাভার ডিওএইচএস সম্প্রসারণ

কম ঘনত্বের আঙিনাকেন্দ্রিক প্রকল্প, অনুমোদনের পর্যায়ে। আগে নিবন্ধন করা পরিবারগুলোই প্রথম নকশা বাছাইয়ের সুযোগ পাবে।

  • আঙিনা নকশা
  • সীমিত ইউনিট
  • নিবন্ধন চালু
  • নকশা অনুমোদনাধীন

নির্মাণের ধাপ

একটি জান্নাত প্রকল্প যেভাবে হস্তান্তরে পৌঁছায়

  1. 01

    জমি ও অনুমোদন

    একটি পাইলও বসার আগেই মালিকানা যাচাই, মাটি পরীক্ষা ও অনুমোদিত নকশা সম্পন্ন।

  2. 02

    কাঠামো

    মানসম্মত রড, পরীক্ষিত কংক্রিট ও প্রতি ফ্লোরে তৃতীয় পক্ষের কিউব টেস্ট রেকর্ড।

  3. 03

    ফিনিশিং

    টাইলস, কাঠের কাজ, স্যানিটারি ও বৈদ্যুতিক কাজ লিখিত স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী।

  4. 04

    হস্তান্তর

    মালিকের উপস্থিতিতে ত্রুটি তালিকা শেষ করে চাবি ও পূর্ণ কাগজপত্র হস্তান্তর।

আশপাশের এলাকা

রোড ০৯ থেকে হাতের নাগালে যা যা আছে

সাধারণ কর্মদিবসের সকালে আমাদের টিমের নিজের মাপা দূরত্ব — ব্রোশিওর থেকে নেওয়া নয়।

ঢাকা–আরিচা মহাসড়ক

গাড়িতে প্রায় ৬ মিনিট, একটু এগোলেই সাভার বাস স্ট্যান্ড।

স্কুল ও কলেজ

১০ মিনিটের মধ্যে ইংলিশ মিডিয়াম ও জাতীয় কারিকুলামের স্কুল।

হাসপাতাল

এনাম মেডিকেল কলেজ ও একাধিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার অল্প দূরত্বে।

দৈনন্দিন প্রয়োজন

বাজার, মসজিদ, ফার্মেসি ও ব্যাংক — গেট থেকে হেঁটেই যাওয়া যায়।

বাছাইয়ের আগে

প্রকল্প নিয়ে ক্রেতারা যা জিজ্ঞেস করেন

নির্মাণাধীন ফ্লোরে কি যাওয়া যাবে?+

হ্যাঁ। হেলমেট পরে ও প্রকৌশলীর সঙ্গে, যেকোনো কর্মদিবসে।

দাম কি আলোচনাসাপেক্ষ?+

দামের চেয়ে কিস্তির শর্তে ছাড়ের সুযোগ বেশি থাকে। কোনটি সম্ভব, স্পষ্ট করেই বলব।

উল্লেখিত দামে কী কী নেই?+

রেজিস্ট্রেশন খরচ, ইউটিলিটি সংযোগ ও আলাদা অন্দরসজ্জা — সবই লিখিতভাবে উল্লেখ থাকে।

ফ্ল্যাটের ভেতরের নকশা কি বদলানো যাবে?+

ফিনিশিং শুরুর আগে বললে কাঠামোবহির্ভূত পরিবর্তন সম্ভব।

সাইট ভিজিট

সিদ্ধান্তের আগে ফ্লোরটা ঘুরে দেখুন

শনি থেকে বৃহস্পতি, সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা। সাইট ইঞ্জিনিয়ার সঙ্গে থেকে কাঠামো সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেবেন।

সাইট ভিজিট বুক করুন

প্রকল্প বেছে নিন, ফাইল আমরা খুলে দেব

কোন ভবনটি পছন্দ জানান — প্রথম বৈঠকেই অনুমোদিত নকশা, দলিলের ধারা আর কিস্তির তালিকা নিয়ে আসব।