আগে ফাইল, পরে দাম
দামের তালিকার আগে আমরা দলিলের ফাইল খুলি।

জান্নাত হোমস অ্যান্ড প্রপার্টিজ সম্পর্কে
আমরা একবারে একটি এলাকা নিয়ে কাজ করি। আমাদের প্রধান কার্যালয় সাভার ডিওএইচএস-এর রোড ০৯-এ — যে রাস্তাতেই আমাদের ফ্ল্যাগশিপ ভবন উঠছে।
আমাদের গল্প
একটি সাধারণ অভিযোগ থেকেই জান্নাত হোমসের শুরু: সাভারে পরিবারগুলো নামজারি বা অনুমোদিত নকশা না দেখেই বুকিং মানি দিয়ে ফেলত। আমরা ঠিক করলাম — কাগজ আগে, প্রতিবার, কোনো ব্যতিক্রম ছাড়া, কোনো বাড়তি ফি ছাড়া।
আজ বিক্রয়, ভাড়া, ডেভেলপমেন্ট ও কনসালটেন্সি এক ছাদের নিচে। যে পরিবার আমাদের কাছ থেকে ফ্ল্যাট কেনে, তারা পরে সেটি ভাড়া দিতে, বিক্রি করতে, এমনকি অন্য প্লটের দলিল যাচাই করাতেও আমাদের পায়।
“একটি কাগজ না থাকলে দলিল অপেক্ষা করে। এই নিয়ম আমরা কখনো ভাঙিনি।”

প্রতিষ্ঠাতার ছবি ক্লায়েন্ট সরবরাহ করবেন।
MD Mamun Miaji
আমরা যা ধরে রাখি
মূল দলিল, নামজারি, অনুমোদিত নকশা ও কর রসিদ — বুকিং মানির আলোচনার আগেই টেবিলে।
হস্তান্তরের তারিখ ঠিক হয় বাস্তব নির্মাণ অগ্রগতি দেখে, ব্রোশিওর দেখে নয়।
ড্রেনেজ, গ্যাসের চাপ, স্কুল ভ্যান, রিসেল চাহিদা — উত্তর আসে রাস্তা থেকে, কাগুজে হিসাব থেকে নয়।
ভাড়া ব্যবস্থাপনা, পুনর্বিক্রয় ও আইনি সহায়তা হস্তান্তরের অনেক পরেও পাশে থাকে।
0+
ঢাকার রিয়েল এস্টেটে বছর
0+
পরিবার চাবি বুঝে পেয়েছে
0
প্রকল্প সম্পন্ন ও চলমান
0%
আইনগতভাবে যাচাইকৃত দলিল
নেতৃত্ব
আমাদের প্রতিষ্ঠাতা প্রায় প্রতিদিন সকালে প্রকল্পে থাকেন। সাইট ইঞ্জিনিয়ার, সেলস ডেস্ক ও আইনি টিম একই অফিসে বসে — তাই উত্তর পেতে সাধারণত একদিনের বেশি লাগে না।
প্রধান কার্যালয়
Jannat Homes & Properties
প্লট নং-১৬৯, রোড নং-০৯, সাভার ডিওএইচএস, ঢাকা, বাংলাদেশ
শনিবার – বৃহস্পতিবার, ১০:০০ – ১৯:০০
jannathomesbd@gmail.com
আমাদের পথচলা
সাভারের একটি প্লট — প্রথম দিন থেকেই প্রতিটি ক্রেতার জন্য খোলা দলিল ফাইল নিয়ে।
মালিকরা ভাড়াটিয়া খুঁজে দিতে বললেন — তাই ভাড়াটিয়া যাচাই ও লিখিত চুক্তি সেবা হয়ে উঠল।
এখন একটি আলাদা ডেস্ক আমাদের নয় এমন প্লটের দলিলও যাচাই করে।
আমাদের প্রধান কার্যালয় আর ফ্ল্যাগশিপ ভবন এখন একই রাস্তায়।
পরিবারগুলো কেন আমাদের বেছে নেয়
দামের তালিকার আগে আমরা দলিলের ফাইল খুলি।
সাইট ভিজিট পরিচালনা করেন প্রকৌশলী, শুধু বিক্রয়কর্মী নন।
আইনি, বিক্রয় ও সাইট টিম এক অফিসে — তাই প্রশ্ন সাধারণত রাত পার করে না।
চাবির পরেও বছরের পর বছর ভাড়া, পুনর্বিক্রয় ও কাগজপত্রে সহায়তা চলে।
তাঁদের ভাষায়
“তাঁরা আগে ফাইল দিলেন, দাম পরে। আগের দুই ডেভেলপারের পর এইটুকুই সিদ্ধান্ত নিতে যথেষ্ট ছিল।”
রেজাউল করিম
মালিক, টাইপ বি ফ্ল্যাট
“যে মাসের কথা লিখে দিয়েছিলেন, সেই মাসেই হস্তান্তর। আমি ছয় মাস দেরির হিসাব করে রেখেছিলাম, লাগেনি।”
শিরিন আক্তার
মালিক, সাভার ডিওএইচএস
“আমি মাস্কাটে থাকি। প্রতি মাসে সাইট থেকে ভিডিও কল করতেন, আর এখন ভাড়াটাও সময়মতো পাই।”
আব্দুল মান্নান
প্রবাসী মালিক
সাইট ভিজিট
শনি থেকে বৃহস্পতি, সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা। সাইট ইঞ্জিনিয়ার সঙ্গে থেকে কাঠামো সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেবেন।
আমাদের টিমের সঙ্গে সাইট ঘুরুন, ফাইল পড়ুন, তারপর সিদ্ধান্ত নিন। প্রথম দিনে কোনো চাপ নেই, বুকিংয়ের কথাও নেই।